নোটিশ বোর্ড
'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত/প্রার্থনা অনুষ্ঠান সংক্রান্ত সংশোধিত অফিস আদেশ (৪৬০)
০৪-০৮-২০২৬ সাধারণ
প্রোগ্রামার পদে মনোনীত প্রার্থীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা প্রসঙ্গে।
০২-০৮-২০২৬ বিভিন্ন আদেশ
"অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৩ (১ম সংশোধিত) " শীর্ষক প্রকল্পের ১ম আন্তঃঅঙ্গ ব্যয় সমন্বয় বিষয়ে বিভাগীয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভার সংশোধিত নোটিশ (১২৯)
২৯-০৭-২০২৬ সাধারণ
সেবা সমূহ
সব দেখুন
মাননীয় মন্ত্রী
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
মাননীয় মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
Following the 13th National Election in Bangladesh, Amir Khosru Mahmud Chowdhury, MP, assumed office as Minister of Finance and Minister of Planning on 17 February 2026. He previously served as Minister of Commerce (2001–2004). He was first elected as an MP from Chittagong-8 in 1991 and re-elected in 1996, 2001, and 2026.
Born on 20 February 1950 in Chittagong District, he is the son of the late Alhaj Mahmudunnabi Chowdhury, an MP (1954) and Minister of Mass Communication in the United Front government. He graduated from Chittagong College in 1969, and later studied accountancy in London.
He is the founder and former Chairman of the Chittagong Stock Exchange and served twice as President of the Chittagong Chamber of Commerce and Industry. He also served as Chairman of the South Asian Federation of Stock Exchanges, Central Depository Company of Bangladesh, and People’s Insurance Company. He was Honorary Consul of the Republic of Korea and a member of Parliamentarians for Global Action (PGA), New York.
He served on Parliamentary Standing Committees on Commerce (1991–1996) and Finance (1996–2001), represented Bangladesh at the United Nations General Assembly, and held roles in multiple national advisory committees, including export, revenue, industry, health, and police reform.
He is also the founder of Chittagong Independent University and Chairman of the Mahmudunnabi Chowdhury Foundation, which provides technical education and training.
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী
মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই ও শাসনব্যবস্থা বদলের আন্দোলনের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকি ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
জোনায়েদ সাকির পুরো নাম মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। তার জন্ম ১৯৭৩ সালের ৯ ডিসেম্বর। তার পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের চরলোহনীয়া গ্রামে। পিতার সরকারি চাকরির সুবাদে শৈশব ও কৈশোরে জোনায়েদ সাকি দেশের বিভিন্ন জেলায় বসবাস ও বিভিন্ন স্কুলে পড়ালেখা করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি ঢাকায় মতিঝিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরবর্তীতে এই স্কুল থেকেই ১৯৮৮ সালে মেট্রিক ও ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় পাশ করেন।
১৯৯০ সালে কলেজে থাকাকালীনই জেনারেল এরশাদের স্বৈরাচারী শাসন বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংগ্রামে যুক্ত হন জোনায়েদ সাকি। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনে। ১৯৯১ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে। পুরো ৯০ দশক জুড়ে জোনায়েদ সাকি সক্রিয় ছিলেন ছাত্র আন্দোলনে। ছাত্রদের বেতন বৃদ্ধি বিরোধী আন্দোলন, যৌন নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলন, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও শিক্ষার্থী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বমূলক ভূমিকার পাশাপাশি ছাত্র আন্দোলনে থাকা অবস্থায়ই বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের দাবিতে, গাছ ও উদ্যান ধ্বংসের বিরুদ্ধে এবং শ্রমিকদের মজুরির দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে সংগঠকের ভূমিকা রাখেন। সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন জাতীয় সম্পদ ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনে।
২০০০ সালে ছাত্র আন্দোলন থেকে বিদায় নিয়ে জোনায়েদ সাকি সক্রিয় হন জাতীয় রাজনীতি ও গণমানুষের স্বার্থের আন্দোলনে। সমসাময়িক লড়াইয়ের সহযোদ্ধাদের নিয়ে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০০২ সালের ২৯ আগস্ট গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ গঠনে নেতৃত্ব দেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে রাষ্ট্র ও আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক রূপান্তরের লড়াই এই রাজনৈতিক দলের প্রধান উদ্দেশ্য, যাদের প্রধান দুটো স্লোগান হলো "পরিবর্তন সম্ভব, পরিবর্তন চাই!" এবং "জনগণের নিজস্ব স্বার্থের বাইরে আমাদের আলাদা কোনো স্বার্থ নাই।" ২০২৫ সালে জিএসএর ৫ম জাতীয় সম্মেলনে দলের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি। পরবর্তীতে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নীতিগত কারণে দলীয় প্রধানের পদ ছেড়ে দেন তিনি। বর্তমানে তিনি জিএসএর রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের গণমানুষের স্বার্থ ও জনগণের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সকল আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে জনগণের সামনে পরিচিত হয়েছেন জোনায়েদ সাকি। জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি গঠনের পেছনে অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালের দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লা খনি প্রকল্পের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন, ২০১১ সালে ঢাকা-সুনেত্র লংমার্চ, ২০১৩ সালে ঢাকা-রামপাল লংমার্চ এবং ২০১৬ সালে সুন্দরবন অভিমুখে জনযাত্রা সংগঠিত করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জোনায়েদ সাকি।
জোনায়েদ সাকির রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি গণমাধ্যমে নিয়মিত উপস্থিতির মাধ্যমে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের চরিত্র উন্মোচন ও তাকে পরাজিত করে একটা ব্যাপক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সরকার ও শাসনব্যবস্থা বদলের সংগ্রাম সংগঠিত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন জোনায়েদ সাকি। ২০২২ সালে বিএনপিসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি। একইসাথে ৬টি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক দলের জোট গণতন্ত্র মঞ্চ গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তার অনমনীয় ভূমিকার কারণে বহুবার তিনি পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন। ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রথম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে ৫ জুলাইয়ে তিনি এই আন্দোলনে প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। পরবর্তীতে এই আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিলে সরাসরি ভূমিকা নেন তিনি। আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাইয়ে পুলিশের আক্রমণের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তার ওপর আক্রমণ চালিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণের চেষ্টা চালায় আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা। গণঅভ্যুত্থানের পরপরই দেশের রাজনীতির কেন্দ্রে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের পথরেখা নির্ধারণ এবং সংস্কারকে সামনে রেখে জুলাই সনদ প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন জোনায়েদ সাকি।
বাংলাদেশে মুক্তিকামী সামাজিক গণতন্ত্রের আদর্শকে ধারণ করে জনগণের বাংলাদেশ, অধিকার ও মর্যাদার বাংলাদেশ এবং বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং খেটে খাওয়া, নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে অবিরত ভূমিকা রেখে চলেছেন জোনায়েদ সাকি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরে কাজ করছেন তিনি।
বিস্তারিতসচিব
মোঃ ফিরোজ সরকার
সচিব, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ
যোগদানের তারিখ : ২২/০৪/২০২৬
ফোন নম্বর : +৮৮০ ২ ৫৫০০৭৩৭৩
ফ্যাক্স নম্বর : +৮৮০ ২ ৫৫০০৭৩৭৫
ইমেইল ঠিকানা : secy@sid.gov.bd
Md. Firoz Sarker
Secretary, Statistics and Informatics Division
Joininig Date : 22/04/2026
Phone Number : +৮৮০ ২ ৫৫০০৭৩৭৩
Fax Number : +৮৮০ ২ ৫৫০০৭৩৭৫
E-mail Address : secy@sid.gov.bd
Mr. Md. Firoz Sarker joined the Statistics and Informatics Division as the Secretary on 22 April 2026. Prior to this, he served as the Secretary of the Ministry of Food from 01 December 2025. He belongs to the 17th Bangladesh Civil Service (Administration) Cadre, having joined government service on 22 February 1998.
Mr. Sarker obtained his Bachelor (Honours) and Master's degrees in Geography from the University of Dhaka. Later, he completed a Master of Science (MS) degree in Disaster Management from the same university in 2017. Mr. Sarker also obtained Master of Science (MS) degree in GIS from the the University of Melbourne, Australia.
He started his career as an Assistant Commissioner in Nilphamari in 1998. During his distinguished career, he served as Assistant Commissioner (Land) in Melandaha of Jamalpur, Dhamrai of Dhaka, and Narayanganj Sadar. He also worked as Upazila Nirbahi Officer (UNO) in Rupganj of Narayanganj, Kachua of Chandpur, and Rajasthali of Rangamati. In addition, he served as Chief Executive Officer of Narail and Narsingdi Municipalities and held various important positions in the Ministry of Science and Technology, Public Security Division, Ministry of Public Administration, Land Reforms Board, Department of Information and Communication Technology, Directorate of National Consumers' Right Protection and Security Services Division. He also served as the Divisional Commissioner of Khulna Division before being appointed Secretary of the Ministry of Food.
Throughout his career, Mr. Sarker has participated in numerous professional training programmes at home and abroad, including Foundation Training at BPATC, Law and Administration Training, Survey and Settlement Training and overseas training in Thailand on Grassroots Economic Development under the One Tambon One Product (OTOP) programme. He has also visited different countries on official assignments, participating in international training programmes, workshops, seminars and study visits related to public administration and governance.
In his personal life, Mr. Sarker is married and is the proud father of one son and one daughter.
বিস্তারিত